Home / Probash / ‘আই লাভ কেএল’ টি-শার্ট পরা অবৈধ অভিবাসীর ছবি ভাইরাল

‘আই লাভ কেএল’ টি-শার্ট পরা অবৈধ অভিবাসীর ছবি ভাইরাল

‘আই হার্ট কেএল’ টি-শার্ট পরা অবৈধ অভিবাসীর ছবি নেট দুনিয়ায় হৈচৈ শু’রু হয়েছে। নেটিজেনরা বলছেন, অভিবাসীরা মালয়েশিযাকে ভালোবাসলেও দেশটির সরকার তাদের ভালোবাসে না। ৬ নভেম্বর রাতে মালয়েশিয়ার সাইবার জায়ার একটি নি’র্মা’ণাধীন ভবন থেকে নারী ও শিশুসহ ১৫৬ জন অভি’বাসীকে আটক করার সময় মালয় মেলের ফটোগ্রাফার হরি আঙ্গাগারা এ ছবিটি তুলেছিলেন।১০ জুন ‘টি আর পি’র সাংবাদিক আকমাল হাকিম তার এক প্রতিবেদনে লিখেছেন, অপ্রত্যাশিতভাবে অবৈধ অভিবাসীদের আটকের সময় তাদের মাঝে অজানা এক আতঙ্ক বি’রাজ করছিল।

স্থানীয় অভিনেত্রী, লেখক এবং পরিচালক জো কুকথাসের সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘আই হার্ট কেএল’(কুয়া’লালামপুর) টি-শার্ট পরা অবৈধ অভিবাসীর ছবি পোস্ট করার পর এই লোকদের দুর্দশার চিত্র দেখে নেটিজেনদের মাঝে ঝড় ওঠেছে।

নেটিজেনরা বলছেন ‘কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যাঙ-মার্চ করা এই অনিবন্ধিত প্রবাসীকর্মী আই-কেএল টি-শার্ট পরে’ছেন। দুঃখজনক কেএল তাকে আর ভালোবাসে না। কেএল তাকে কাজে ব্যবহার করে। কাজ শেষ হলে ছুড়ে ফেলে দেয়। এই ছবিটি দেখে বিশ্বব্যাপী অনেকেই হতাশা প্রকা’শ করেছেন। ফি’লি’স্তি’নে যে নৃ’শং”স’তা চালছে তার সঙ্গে এখানে মালয়েশিয়ায় অনিবন্ধি’ত অভিবাসীদের ক্ষেত্রেও অমা’নবিকতার দৃ’ষ্টিভঙ্গি বলে কুকথা মন্তব্য করেছেন।

জো কুকথা লিখেছেন, ‘আমরা অভিবাসীদের এ রকম আচরণ করার অনুমতি দিই, আমরা তাদের চড় মা’রলাম এবং তাদেরকে গালি দিই, তাদের অধিকার এবং তাদের মানবতা হরণ করি, আমরা তাদের দুঃখকে ঘৃণা করি, আমরা তাদের সঙ্গে অপ’রাধীদের মতো আচরণ করি।’

অনেকে বলেছেন, মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ বিশেষত কোভিড-১৯ মহামারি সময়ে দেশে অবৈধদের বিষয়ে যে প’দক্ষেপ নিয়েছে তাতে সবাই বিরক্ত। প্রবীণ শিল্পীর দেয়া মতামতকে অনেকেই প্রতিপন্ন করেছিলেন, বলেছিলেন, সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপগুলো দেশের সর্বো’ত্তম আগ্রহ বা রাকিয়াতের পক্ষে কি প্রতিফলিত করে না।

তারা বলেছে, মাইগ্রেশনদের সুরক্ষিত করছে এবং আমাদের মালয়েশিয়ানদের সুরক্ষার জন্য এগুলি করছে। সাইবার জায়া অভিযানের ঘটনাস্থলে মালে মেল ফটোগ্রাফার হরি আংগারা এই প্রশ্নে শক্তিশালী ছবি তোলেন, সেখানে দেখা যায় যে নারী ও শিশুসহ ১৫৬ জনের যথাযথ বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তাদের আটক করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ দেশব্যাপী অনিবন্ধিত অভিবাসীদের উপর কঠোর চাপ দিচ্ছে। ২০২০ সালের মার্চ মাসে প্রথম বড় অভিযান শুরু হয়েছিল। এর আগে, প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন দোষারোপ করেছিলেন যে, সাবা রাজ্যে করোনা সংক্রমণ অনিবন্ধিত অভিবাসীদের থেকে শু’রু হয়েছিল।

About ja

Check Also

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৬ দিনের দীর্ঘ বিরতির ঘোষণা করেছে !

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দারা ২০২১ সালে দীর্ঘ সাপ্তাহিক ছুটির অপেক্ষায় থাকতে পারেন।সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রিসভা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *